পোস্টগুলি

জুন, ২০২৬ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলার পাশে নেইমার

ছবি
  বিশ্বকাপে রাতে জাপানের বিপক্ষে বাঁচা-মরার লড়াইয়ে মাঠে নামার অপেক্ষায় আছেন তিনি। তবে সেই মহা-গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগেই মাঠের বাইরে এক অনন্য ‘মাস্টারস্ট্রোক’ খেলে কোটি ভক্তের হৃদয় জয় করে নিলেন ব্রাজিলিয়ান পোস্টার বয় নেইমার জুনিয়র। প্রতিবেশী দেশ ভেনেজুয়েলায় আঘাত হানা ভয়াবহ ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জরুরি উদ্ধার ও মানবিক সহায়তা কার্যক্রমে আড়াই লাখ মার্কিন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩ কোটি টাকা) অনুদান দিয়েছেন এই সেলেসাও তারকা। ভেনেজুয়েলার খ্যাতনামা সংবাদমাধ্যম ‘এল সুমারিও ডটকম’ নিশ্চিত করেছে এই তথ্য। নেইমারের দেয়া এই বিপুল অর্থ ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে জরুরি খাদ্য, বিশুদ্ধ পানীয় জল, প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসামগ্রী এবং গৃহহীনদের জন্য অস্থায়ী আশ্রয় তৈরি করার কাজে ব্যয় করা হবে। নিজের এই মানবিক উদ্যোগ নিয়ে নেইমার বলেন, ভেনেজুয়েলার মানুষের প্রতি রইলো আমার আন্তরিক সমবেদনা। আশা করি, এই সামান্য সহায়তা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোতে কিছুটা শক্তি ও স্বস্তি বয়ে আনবে। এদিকে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের খবর অনুযায়ী, ভেনেজুয়েলার পরিস্থিতি অত্যন্ত ভয়াবহ। দেশটির জাতীয় পরিষদের সভাপতি হোর্হ...

ভেনেজুয়েলার ভূমিকম্পে স্ত্রী-সন্তান হারালেন আর্জেন্টাইন ফুটবলার

ছবি
  ভেনেজুয়েলার ইতিহাসে আঘাত হানা সবচেয়ে ভয়াবহ, বিধ্বংসী ও প্রাণঘাতী ভূমিকম্পে পুরো দেশ এখন এক ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। হাজারো মানুষের প্রাণহানির এই মহাবিপর্যয়ের মাঝে লাতিন আমেরিকার ফুটবল অঙ্গনে নেমে এসেছে এক চরম ট্র্যাজেডি ও শোকের ছায়া। জোড়া ভূমিকম্পের সেই মর্মান্তিক গ্রাসে আর্জেন্টিনার ৩৮ বছর বয়সি অভিজ্ঞ ফুটবলার লুকাস ত্রেহোর সাজানো সংসার তছনছ হয়ে গেছে। ধসে পড়া অ্যাপার্টমেন্টের নিচে চাপা পড়ে মারা গেছেন তাঁর স্ত্রী ও দুই নিষ্পাপ সন্তান। আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডার লুকাস ত্রেহো ভেনেজুয়েলার পেশাদার ক্লাব ‘স্পোর্ট মারিতিমো দে লা গুয়াইরা’-র হয়ে খেলেন। গত বুধবার যখন ৭.২ এবং ৭.৫ মাত্রার দু’টি শক্তিশালী প্রলয়ঙ্করী ভূমিকম্পে দেশটির উত্তর উপকূলের বিস্তীর্ণ এলাকা কেঁপে ওঠে, ত্রেহো তখন ক্লাবের ম্যাচের কারণে রাজধানী কারাকাসে অবস্থান করছিলেন। কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যেই তাঁর কাছে খবর আসে, লা গুয়াইরার প্লায়া গ্রান্দে এলাকায় যে বহুতল অ্যাপার্টমেন্টে তাঁর পরিবার থাকত, সেটি তাসের ঘরের মতো পুরোপুরি ধসে মাটির সাথে মিশে গেছে। ভয়াবহ এ খবর পাওয়ার পর আর এক মুহূর্তও দেরি করেননি ত্রেহো। পাগলের মতো ছুটে যান দ...

শিক্ষকতা নাকি এক অদম্য লড়াইয়ের গল্প!

ছবি
  শিক্ষকতা নাকি এক অদম্য লড়াইয়ের গল্প!  বান্দরবানের থানচির তিন্দুর মতো দুর্গম এলাকায় আলো ছড়ানো এক মাধ্যমিক বিদ্যালয়। যেখানে স্কুলের শিক্ষকদের বেতন দিতে না পেরে নিজের পকেট থেকে টাকা জোগাতে হতো। আর সেই টাকা জোগাতে প্রধান শিক্ষক নিজে একটা ইঞ্জিনচালিত নৌকা চালাতেন! ভাবা যায়? শিক্ষার আলো জ্বালিয়ে রাখতে একজন শিক্ষকের এই ত্যাগ ও সংগ্রাম সত্যিই চোখে জল এনে দেয়। অবশেষে এই মানবিক লড়াইয়ের গল্পটি পৌঁছেছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কান পর্যন্ত। তাঁরই নির্দেশে স্কুলটিকে সরকারি (জাতীয়করণ) করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা সংসদে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছেন শিক্ষা উপদেষ্টা। স্যালুট জানাই সেই মহান শিক্ষককে, যিনি হার না মেনে আমাদের শিখিয়ে গেলেন দায়িত্ববোধ কাকে বলে! শুভকামনা রইল দুর্গম পাহাড়ের সেই আলোর পাঠশালার জন্য।